তফশিল ঘোষণায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ঘোষণা প্রকাশের পরই বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গুরুত্বের সঙ্গে খবরটি প্রচার করেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে— বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে হওয়া রক্তক্ষয়ী গণ–অভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম বড় নির্বাচন। রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, ভোটারদের আগ্রহের মূল বিষয় থাকছে গণতান্ত্রিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, পোশাকশিল্পের স্থিতিশীলতা এবং ভারতের সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক ভারসাম্য।
এজেন্সিটি আরও এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইআরআই জরিপে বিএনপির সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী দ্বিতীয় অবস্থানে থাকতে পারে বলেও উল্লেখ করে তারা। অন্যদিকে নতুন দল এনসিপি তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে।
এএফপি দ্রুততম সময়ে ‘অ্যালার্ট’ দিয়ে খবরটি প্রচার করে। এরপর বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়— নির্বাচনের দিনই গণতান্ত্রিক সংস্কার বিষয়ক গণভোটও হবে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনার দল আ.লীগকে ভোটে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। তাই বিএনপির এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা বেশি বলে বিশ্লেষকদের মন্তব্য রয়েছে।
এপি তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারানোর ১৮ মাস পর বাংলাদেশ নতুন নির্বাচনের পথে এগোচ্ছে। বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি তফশিলকে স্বাগত জানালেও আ.লীগ সিদ্ধান্তটি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আল জাজিরা “রাজনৈতিক অস্থিরতার এক বছর পর বাংলাদেশে নির্বাচন” শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে। এতে গণভোটের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তফশিলকে দেশের “গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মাইলফলক” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যম— দ্য হিন্দু, এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার, ইন্ডিয়া টুডে— সবাই খবরটি প্রকাশ করেছে। এছাড়া ইউএস নিউজ, আনাদোলু এজেন্সিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে প্রচার করেছে।

