জামায়াতের ৪ প্রতিষ্ঠানের কাউকে নির্বাচনী কাজে চায় না বিএনপি

রাজনীতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ৩৬ দফাসংবলিত একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট চারটি প্রতিষ্ঠান—দুটি ব্যাংক ও দুটি হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তাকে আসন্ন নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট কোনো কাজে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। এছাড়া বিগত তিনটি নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকর্তাদেরও নির্বাচনী কাজে বিরত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি মনে করছে, এসব কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। দলের শীর্ষ পর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টার কার্যক্রম, প্রশাসনিক রদবদল ও পদায়নসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। মাঠ প্রশাসনের সব পদ—ডিসি, ইউএনও, এসপি, ওসি ও ভোট কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট কমিশনারদের নির্বাচন-সহ সমন্বয়মূলকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
এছাড়া, নির্বাচনী অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসে অভিযোগ নিরসন কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তড়িঘড়ি করে ম্যানেজিং কমিটি গঠন বা নতুন কমিটি গঠনের নির্দেশনা স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে বিএনপি।
প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটারদের প্রভাবিত করতে ধর্মীয় প্রলোভন বা ভীতি প্রদর্শন রোধ করতে হবে এবং প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ আইনানুগভাবে নিশ্চিত করতে হবে। বিএনপি এ প্রস্তাবনা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *