থাইল্যান্ড নাকি কম্বোডিয়া—সামরিক শক্তিতে কে এগিয়ে?
কম্বোডিয়ার ওপর থাই সামরিক বাহিনীর হা/মলার অভিযোগকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। দুই দেশই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া অ/স্ত্রবিরতি ভঙ্গের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় উঠেছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সামরিক শক্তির তুলনা।
রয়টার্সের সোমবার (৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত বিশ্লেষণে দুটি দেশের প্রতিরক্ষা বাজেট, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর সক্ষমতার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
বাজেট ও স্থলবাহিনী
কম্বোডিয়া:
২০২৪ সালে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা বাজেট ছিল প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার। সক্রিয় সেনাসদস্য ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ জন। ১৯৯৩ সালে বিভিন্ন গোষ্ঠীকে একত্র করে আধুনিক স/শস্ত্র বাহিনী গঠন করা হয়। দেশটির স্থলবাহিনীতে রয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার সেনা, ২০০–র বেশি ট্যাংক এবং প্রায় ৪৮০টি আর্টিলারি ইউনিট।
থাইল্যান্ড:
যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ অ-ন্যাটো মিত্র থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা বাজেট ২০২৪ সালে ছিল ৫.৭৩ বিলিয়ন ডলার। সক্রিয় সেনাসদস্য ৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সেনাবাহিনীতে সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ৪৫ হাজার। থাই বাহিনীর হাতে রয়েছে প্রায় ৪০০ ট্যাংক, ১,২০০–র বেশি সাঁজোয়া যান এবং ২,৬০০-এর বেশি আর্টিলারি। পাশাপাশি রয়েছে নিজস্ব এয়ার ইউনিট, যেখানেই আছে পরিবহন বিমান, ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ও আধুনিক ড্রোন।
বিমানবাহিনী
কম্বোডিয়া:
সদস্য সংখ্যা প্রায় ১,৫০০। বহরে রয়েছে ১০টি পরিবহন বিমান, ১০টি পরিবহন হেলিকপ্টার এবং ১৬টি মাল্টি-রোল হেলিকপ্টার। যুদ্ধবিমান নেই।
থাইল্যান্ড:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী বিমানবাহিনী। এখানে সদস্য সংখ্যা ৪৬ হাজার। বহরে রয়েছে ১১২টি যু/দ্ধক্ষম বিমান—যার মধ্যে ২৮টি এফ-১৬ এবং ১১টি গ্রিপেন উল্লেখযোগ্য। বহরে আরও রয়েছে বহু হেলিকপ্টার।
নৌবাহিনী
কম্বোডিয়া:
২,৮০০ সদস্যের নৌবাহিনী। রয়েছে ১৩টি উপকূলীয় টহলজাহাজ এবং একটি অ্যামফিবিয়াস ল্যান্ডিং ক্রাফট।
থাইল্যান্ড:
সংখ্যা ও শক্তিতে অনেক এগিয়ে থাই নৌবাহিনী। সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। বহরে রয়েছে একটি বিমানবাহী রণতরী, ৭টি ফ্রিগেট, ৬৮টি উপকূলীয় টহলজাহাজ, বড় আকারের অ্যামফিবিয়াস জাহাজ ও ১৪টি ল্যান্ডিং ক্রাফট। এছাড়া ২৩ হাজার সদস্যের মেরিন কর্পসও রয়েছে।

