দিল্লিতে বি/স্ফো/রণ দেশজুড়ে জারি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা
ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লার কাছে ভ/য়াবহ বি/স্ফো/রণে কমপক্ষে আটজন নি/হ/ত হয়েছেন এবং আহ/ত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটার পরই দিল্লিসহ পুরো ভারতে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা।
বিবিসির খবরে জানা যায়, বি/স্ফো/রণটি ঘটে একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে, যেখানে তিনজন যাত্রী ছিলেন। দিল্লি পুলিশের মুখপাত্র সঞ্জয় ত্যাগী জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে পুলিশ ও অ/গ্নিনির্বাপক বাহিনী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে আশপাশের ভবনের জানালা কেঁপে ওঠে এবং অনেকে আতঙ্কে মাটিতে পড়ে যান। কাছের দোকানদার রাজীব কুমার বলেন, “শব্দ এত জোরে হয়েছিল যে আমি তিনবার পড়ে যাই, তারপর নিজেকে সামলাই।”
দিল্লি, কলকাতা, মুম্বাইসহ দেশের বড় শহরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে চলছে কড়া তল্লাশি।
অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার কেজি বি/স্ফো/রক ও অ/স্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং সাতজনকে গ্রে/ফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসকও আছেন। তবে এই গ্রে/ফতারগুলোর সঙ্গে দিল্লির বি/স্ফো/রণের সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG) এবং ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। তার ভাষায়, “আমরা সব দিক থেকেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে জনগণের সামনে ফলাফল তুলে ধরা হবে।”
অগ্নিনির্বাপক কর্মকর্তা এ. কে. মালিক জানান, সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে আ/গুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে আছে ধ্বং/সাবশেষ ও আহ/ত মানুষের চিৎকার।
বর্তমানে লাল কেল্লা ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পর্যটকে ভরপুর এই ঐতিহাসিক স্থানে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক আতঙ্ক ও শোক।

