দুই বছর ধরে ইসরায়েলি আ/গ্রা/সনের ধ্বং/সস্তূ/পের মধ্যে থমকে ছিল গা/জার শিশুদের শৈশব ও পড়াশোনা। যু/দ্ধের জেরে স্কুল বন্ধ থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যু/দ্ধবিরতি চুক্তির পর অবশেষে শিশুরা নতুনভাবে বই-খাতা হাতে স্কুলের পথে ফিরেছে।
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, শনিবার থেকে গা/জার প্রায় তিন লাখ শিশু নিয়মিত ক্লাস শুরু করেছে। ১০ হাজার শিক্ষার্থী এখনও স্কুল ভবনে পড়াশোনা করছে, যেখানে স্কুলটি নিরাপদ অবস্থায় আছে বা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকিদের জন্য দূরশিক্ষণ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। তবে ত্রাণ ও শিক্ষাসামগ্রী সীমান্তে আটকে আছে এবং ইসরায়েল ত্রাণ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযো/গ করা হয়েছে।
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হাম/লায় গা/জার প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষ/তিগ্র/স্ত হয়েছে। ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, ১৭২টি সরকারি স্কুল পুরোপুরি ধ্বং/স হয়েছে, আরও ১১৮টি আংশিক ক্ষ/তিগ্র/স্ত। হামলায় ১৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী নিহ/ত এবং ২৫ হাজারের বেশি আহ/ত হয়েছে। সাত শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তাও প্রা/ণ হারিয়েছেন।
যু/দ্ধবিরতি চুক্তির ফলে ব/ন্দি বিনিময় শুরু হয়েছে এবং স্কুল পুনরায় খোলা গা/জার জন্য নতুন আশা জাগিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, এখনো গা/জার বড় অংশ বসবাসের অনুপযোগী। শিশুদের পড়াশোনা শুরু হওয়া কেবল স্কুল খোলার প্রতীক নয়, এটি তাদের অস্তিত্ব ও প্রতিরোধের নতুন ঘোষণা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা ছাড়া শিক্ষার এই প্রক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়ে গেছে।

